narendrapur school- নরেন্দ্রপুর স্কুল কাণ্ড, ২ দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের নির্দেশ হাইকোর্টের


সুপর্ণা দে, ৩০.০১.২৪ সময়ঃ ০৫.৪৩

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর স্কুলে শিক্ষকদের উপর বহিরাগতদের আক্রমণের ঘটনায় আগামী দু’দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷ বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপিকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ৷ পাশাপাশি তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে আগামী 5 ফেব্রুয়ারির মধ্যে তা আদালতে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি ।

সোমবার বিচারপতি বসু নরেন্দ্রপুরের ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে ঢোকার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন । এরপরে এ দিন সহকারী শিক্ষকদের আইনজীবী আদালতে জানান, “বলরামপুর এমএন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কুলের আলমারির চাবি তাঁর ভাইয়ের হাত দিয়ে পাঠিয়েছেন ৷ তাঁর ভাই ওই স্কুলের প্যারাটিচার । ওই চাবিটি বর্তমানে স্কুলের এক কর্মচারীর কাছে রাখা হয়েছে ।”

স্কুলে হামলার ঘটনায় শিক্ষা দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরকে এ দিন সশরীরে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বসু । তিনি নির্দেশ দেন, নতুন করে ওই ঘটনার তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে হবে । মাধ্যমিক পরীক্ষার পর সাতদিনের মধ্যে তদন্ত করে মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করতে হবে আদালতে । স্কুলের আগের অডিট রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি । যদি কিছু খামতি থাকে, তবে পরে আদালত নতুন অডিটর নিয়োগ করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি বসু ।

এ দিন ভার্চুয়ালি এসপি আদালতে জানান, “শিক্ষকদের উপর আক্রমণে অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে ডিএসপির নেতৃত্বে একটা দল কাজ করছে । এখনও পর্যন্ত চারজনকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে । আগামী দু’দিনের মধ্যে আশা করা যাচ্ছে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে ।” এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি বসু বলেন, “মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা যাবে বলে মনে করছি ৷”

নরেন্দ্রপুর থানার বর্তমান আইসি অনির্বাণ বিশ্বাসের বদলির নির্দেশ এসে গিয়েছে ৷ তবে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে যাতে আরও দু’দিন রেখে দেওয়া যায়, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিচারপতি বসু আর্জি জানালেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে । বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলও ।

নরেন্দ্রপুর থানার আইসিকে সোমবারই বিচারপতি বলেছিলেন ,”এফআইআরে নাম রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য, প্রধান শিক্ষকের, এদের গ্রেফতার করার কী হবে ? এদের গ্রেফতার করতে হবে, পারবেন ?” যদিও এই মামলায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হলেও এফআইআরে যাদের নাম রয়েছে তারা সবাই এখনও অধরা ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *