Recruitment scame- শৈত্য প্রবাহের মধ্যেই সক্রিয় ইডি। সাতসকালেই প্রসন্ন ঘনিষ্টদের ঠিকানায় হাজির।


সুপর্ণা দে, ১৮.০১.২৪ সময়ঃ ১০.২৪

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডাকে যখন সঙ্গীকে করে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন রাজ্যবাসী। ঠিক সেই সময়ই মুকুন্দপুর এবং নিউটাউনের দুটি বিলাসবহুল আবাসনে হানা ইডির আধিকারিকদের। এছাড়াও আরও চার জায়গার ইডির তল্লাশি চলে।

এই জায়গাগুলি হল নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রসন্ন রায়ের বাড়ি এবং অফিস। এবং বাকি জায়গাগুলি হল প্রসন্ন রায়ের ঘনিষ্টদের বাড়ি।

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে প্রসন্ন রায়ের। মূলত, মিডল ম্যান হিসেবে তিনি কাজ করেছেন বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ২০২২ সালের ২৬ অগাস্ট তিনি সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন। বলা বাহুল্য এই কাণ্ডে যুক্ত শান্তিপ্রসাদ সিনহা গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার ফোন থেকেই খোঁজ মিলেছিলো প্রসন্ন রায়ের। আবার প্রসন্ন কুমার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আত্মীয়, তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভাগ্নে জামাই।

প্রসঙ্গত, এই কাণ্ডে অপর মিডলম্যান প্রদীপ সিংকে জেরা করে প্রসন্ন রায়ের সম্পত্তির খোঁজ পান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

এই প্রসন্ন রায় অতীতে একজন রং মিস্ত্রি ছিলো। পাশাপাশি ঠিকাদার হিসেবেও কাজ করতেন। এরপর তিনি সেখান থেকে হয়ে যান রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, এছাড়াও গাড়ীর ব্যবসা ছিলো তার। তিনি নাকি শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে একটি গাড়ী উপহার দিয়েছিলেন। সেই গাড়ীতে করেই শান্তিপ্রসাদ সিনহা চলাফেরা করতেন। তাই রং মিস্ত্রি থেকে একজন সফল ব্যবসায়ী, তার ওপর তার ৫টি বাগান বাড়ীর রয়েছে, বিদেশেও সম্পত্তি রয়েছে। অর্থাত্ উল্কার গতিতে তার সম্পত্তির উত্থান নিয়েই আজ ইডির তদন্ত বলে জানা যাচ্ছে।

গত বছর নভেম্বর মাসে তিনি সুপ্রিম কোর্টে জামিন পান।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *