MID DAY MEAL SCHEME- মিড-ডে মিলের সঙ্গে ব্রেকফাস্টও


বাবন ধুঁয়া, ০২.০১.২৪ সময়ঃ ৬.১৯

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ

খালি পেটে থাকলে কোনও কাজেই মন বসে না। সকালে খালি  পেটে না থেকে পড়ুয়ারা ভরপেটে ক্লাস করতে বসুক। এই ভাবনাচিন্তা নিয়ে মিড ডে মিলের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ২০২১-এ। তারপর সেই প্রস্তাব কার্যত হিমঘরে চলে গিয়েছিল দুই বছরের জন্য। সূত্রের খবর, ফের একবার বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রের অর্থনীতি বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি নির্মাণ নামে একটি রান্নার প্রকল্পকে অনুমোদন দেয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে ঠিক হয়, আগামী ৫ বছরের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত সরকারি এবং সরকার অনুমোদন দিলে চালু থাকবে পিএম পোষণ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মধ্যেই মিড ডে মিলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মিড ডে মিলের পাশাপাশি পড়ুয়াদের সকালে ব্রেকফাস্ট দেওয়ারও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছিল। তবে সে উদ্যোগ ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল। দুই বছর পর ফের সেই বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।

পিএম পোষণ প্রকল্পের আওতায় সরকারি স্কুল, সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত অঙ্গনওয়াড়ি ও মাদ্রাসায় পাঠরত সব পড়ুয়াদের স্কুলের দিনগুলিতে মধ্যাহ্নভোজ দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে প্রথম মিড ডে মিল প্রকল্প চালু হয়েছিল। এই প্রকল্প চালুর মূল উদ্দেশ্য গরিব পরিবার থেকে আসা সরকারি স্কুলে পাঠরত শিশুদের মুখে অন্তত দিনে একবার অন্ন তুলে দেওয়া। ২০২১ সালে সেই প্রকল্পের মোড়কেই পিএম পোষণ অভিযান ঘোষণা করে মোদি সরকার। শিশুদের পুষ্টির উপর বেশি নজর দেওয়া হয় সেবার।

২০২০ সালে কেন্দ্র নয়া শিক্ষানীতিতে ঘোষণা করা হয় সকালে পুষ্টিকর জলখাবার (ব্রেকফাস্ট) খেলে তা পড়ুয়াদের পক্ষে ফলদায়ক হবে। সেজন্য মিড ডে মিলের পাশাপাশি সকালে হালকা ও শক্তিবর্ধক খাবার দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছিল কেন্দ্র। নয়া শিক্ষানীতির নথিতে বলা হয়, ‘খাবারের মান ও পুষ্টিগত উপাদান নিশ্চিত করতে খাবারের দাম ও মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে যোগ করা হবে জলখাবারের খরচ। তবে দুই বছর বিষয়টি ভাবনাচিন্তার পর্যায়তেই রয়েছে, বাস্তাবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ফের উত্থাপিত হয়েছে বিষয়টি।

শিক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘এই প্রস্তাবটি সকলে সমর্থন করে তা যদি অনুমোদিত হয় তবে কমপক্ষে ৪০০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বার্ষিক বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।’ এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘স্কুলে স্কুলে মিড ডে মিলের সঙ্গে বাচ্চাদের প্রাতঃরাশ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রিতক সময়ে আলোচিত হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কত টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন সেসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন করে কোনও প্রস্তাব এখনও পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি বলে জানিয়েছে তিনি।’ সূত্রের খবর, শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমান, স্কুলগুলিতে শিশুদের প্রাতঃরাশ দিতে যে তহবিলের প্রয়োজন তা মিড ডে মিলের তহবিলের অর্ধেক।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *